২৩শে জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, বুধবার

নবীনগরে সরকারের দেয়া স্বাস্থ্যবিধি নিষেধ মানছে না স্পীডবোট মালিক ও যাত্রীরা

আপডেট: মে ১৮, ২০২১

নবীনগর(ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধিঃ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া নবীনগরে সরকারের দেয়া বিধিনিষেধ উপেক্ষা করে নবীনগর- ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও নবীনগর- ভৈরব রোডে স্পীডবোট চলাচল করছে প্রতিনিয়ত।

সরজমিনে গিয়ে জানা যায়,করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে নবীনগর উপজেলা প্রশাসন স্পীডবোট মালিকদের ডেকে সরকারের বিধিনিষেধ মেনে পরবর্তী নির্দেশা না দেয়া পর্যন্ত চলাচল বন্ধ রাখার নির্দেশ প্রধান করেন। কিন্তু এই নির্দেশনা না মেনে উল্টো ২০০ টাকার ভাড়া ২৫০ টাকা করে ১১/১২ জন যাত্রী নিয়ে এদুটি রোডে স্পীডবোট চলাচল করতেছেন সকাল সন্ধ্যা।এমনকি বেশির ভাগ যাত্রীদের মুখে মাক্স পড়তেও দেখা যায়নি।

এবিষয়ে একাধিক যাত্রী বলেন, আমরা আমাদের গন্তব্যে দ্রুত পৌঁছার জন্য স্পীডবোটে যাতায়াত করছি।পূর্বে ভৈরব থেকে নবীনগর আসতে ২০০ টাকা করে ভাড়া থাকলেও আজ ২৫০ টাকা করে ১২ জন যাত্রী এসেছি। যেহেতু স্বাস্থ্যবিধি নিষেধ মেনে কম যাত্রী নেয়া হচ্ছে না সেহেতু ভাড়া বাড়ানোর বিষয়টি দুঃখজনক এবং এর প্রতিকার দরকার।

করোনায় সরকারের দেয়া স্বাস্থ্যবিধি নিষেধ না মেনে স্পীডবোট চলাচলের বিষয়ে জানতে স্পীডবোট মালিক মোঃ বিল্লাল হোসেনকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোন অনুমতির বিষয়ে উত্তর না দিয়ে ভাড়া বাড়ানোর বিষয়ে বলেন,আমরা করোনার কথা চিন্তা করে প্রতিদিন অল্পসংখ্যক বোড চালায়।ভৈরব থেকে আসার পথে ২ জন যাত্রী কম নিয়ে ভাড়া ৫০ টাকা বাড়ানো হয়।

ভাড়া বাড়ানো ও উপজেলা প্রশাসন কি কোন ধরনের অনুমতি প্রদান করেছেন স্পীডবোট চলাচলের? এই প্রশ্নের উত্তরে নবীনগর স্পীডবোট পরিচালনার সুপারভাইজার মোঃ রফিকুল ইসলাম বলেন,আমরা উপজেলা প্রশাসনের নিকট স্পীডবোট চলাচলের বিষয়ে কথা বললে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শুধু জরুরি প্রয়োজনে অসুস্থ ও প্রশাসনের লোকজনের চলাচলের ব্যাপারে ইতিবাচক কথা বলেছেন, কিন্তু সাধারণ যাত্রী চলাচলের কোন অনুমতি প্রদান করেন নাই। ভাড়া বাড়ানোর বিষয়ে অপর প্রশ্নের উত্তরে তিনি আরো বলেন, আমি ব্রাহ্মণবাড়িয়া রোড নিয়ন্ত্রণ করি এই রোডে প্রতিদিন ৫/৬ টি স্পীডবোড চলে,কিন্তু ভৈরব রোডে অনিয়ম হচ্ছে।

এবিষয়ে সরকারের দেয়া করোনাকালীন স্বাস্থ্যবিধি নিষেধ না মেনে ভাড়া বাড়িয়ে গণহারে যেভাবে স্পীডবোট চলাচলে করছে এদের বিরুদ্ধে কি ধরনের পদক্ষেপ নেয়া হবে জানতে চাইলে, নবীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা একরামুল ছিদ্দিক বলেন, বিষয়টি জানতে পারলাম অচিরেই যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।